আমরা বাঙালী
  • প্রারম্ভিক
  • আমরা বাঙালী সম্পর্কে
    • কি ও কেন
    • আবির্ভাব
    • পরিচিতি
    • দাবী
    • শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার
  • প্রাউট
    • প্রাউট কি
    • প্রাউট কেন
    • পঞ্চমূল সিদ্ধান্ত
    • বৈশিষ্ট
    • অভিমত
  • শোষিত ও বঞ্চিত বাঙলা
    • ঝাড়খণ্ড
    • গোর্খাল্যান্ড
    • অসম
    • ত্রিপুরা
    • মেঘালয়
    • পশ্চিমবঙ্গ
    • উড়িষ্যা
  • বাঙলা
    • বাঙালী জাতির বয়স
    • বাঙলার পরিচিতি
    • বাঙলার ভূ - খণ্ডের ইতিকথা
    • বাঙলার সভ্যতার উন্মেষ
  • বাংলা ভাষা
    • বাংলা লিপি
    • বাংলা উচ্চারণ
    • বাংলা ভাষার প্রতি বঞ্চনা
    • ভাষা আন্দোলন
আমরা বাঙালী
  • প্রারম্ভিক
  • আমরা বাঙালী সম্পর্কে
    • কি ও কেন
    • আবির্ভাব
    • পরিচিতি
    • দাবী
    • শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার
  • প্রাউট
    • প্রাউট কি
    • প্রাউট কেন
    • পঞ্চমূল সিদ্ধান্ত
    • বৈশিষ্ট
    • অভিমত
  • শোষিত ও বঞ্চিত বাঙলা
    • ঝাড়খণ্ড
    • গোর্খাল্যান্ড
    • অসম
    • ত্রিপুরা
    • মেঘালয়
    • পশ্চিমবঙ্গ
    • উড়িষ্যা
  • বাঙলা
    • বাঙালী জাতির বয়স
    • বাঙলার পরিচিতি
    • বাঙলার ভূ - খণ্ডের ইতিকথা
    • বাঙলার সভ্যতার উন্মেষ
  • বাংলা ভাষা
    • বাংলা লিপি
    • বাংলা উচ্চারণ
    • বাংলা ভাষার প্রতি বঞ্চনা
    • ভাষা আন্দোলন

বাংলা লিপি

       সুপ্রাচীন ব্রাহ্মী লিপির বিবর্ত্তিত রূপ শ্রীহর্ষ লিপি। মহারাজ হর্ষবর্ধনের হস্তলিপির যে শীলমোহর আবিষ্কৃত হয়েছে তা এই লিপিতেই লিখিত বলে হর্ষবর্দ্ধনের নাম অনুযায়ী এর নাম দেওয়া হয়েছে শ্রীহর্ষ লিপি। এই শ্রীহর্ষ লিপি সমগ্র পূর্ব ভারতেরই (এলাহাবাদ ও তৎপূর্ববর্ত্তী এলাকা) লিপি। মণিপুরী (মিথেই ও বিষেণপুরী), অসমীয়া, ৰাংলা, মৈথিলী, প্রভৃতি ভাষা স্থানীয় তারতম্য ভেদে এই লিপিতেই লেখা হয়। অঙ্গীকা, মগহী, ভোজপুরী, নাগপুরী, ছত্রিশগড়ী ভাষারও এইটাই লিপি। কিন্তু দীর্ঘকাল ধরে তাদের মাতৃভাষা অবদমিত থাকায় মাতৃলিপি আজ অপরিচিত হয়ে গেছে। ওড়িয়ার লিপিও এই শ্রীহর্ষ। শ্রীহর্ষ লিপির অক্ষরগুলি মোটামুটি কোণযুক্ত। ওড়িষ্যার তালপত্রে লোহার খুন্তি দিয়ে লেখবার প্রথা ছিল কিন্তু এই ভাবে কোণযুক্ত অক্ষর লিখতে গেলে লোহার খুন্তিতে তালপাতা ছিঁড়ে যাবার সম্ভাবনা। তাই কোণগুলি এড়িয়ে সেগুলিকে গোলাকার (circular) করে লেখবার রীবাজ প্রবর্ত্তিত হয়েছিল। তাই বর্ত্তমান ওড়িয়া লিপি হচ্ছে কোণ এড়িয়ে চলা শ্রীহর্ষ লিপি।


        এই শ্রীহর্ষ লিপি ভারতের অন্যতম প্রাচীন লিপি। সংস্কৃত ভাষার অধিকাংশ প্রাচীন পুস্তক এই লিপিতেই লিখিত ও সুপ্রাচীন কাল থেকেই সংস্কৃত এই লিপিতেই লিখিত হয়ে এসেছে। দেবনাগরী লিপি অনেক পরেকার লিপি। রাঢ়ের শুশুনিয়া পাহাড়ের রাজা চন্দ্রবর্মার সংস্কৃত ভাষার দানপত্রটি এই লিপিতে লিখিত ও এই শুশুনিয়া লিপিটি বাংলা লিপির প্রাচীনতম নিদর্শন। সে বিচারে শুশুনিয়া পাহাড়টিও পণ্ডিত ও সাহিত্যিকদের কাছে এক ধরণের তীর্থ ৰলে গণ্য হতে পারে। এই ধরণের প্রস্তরোৎকীর্ণ প্রাচীন বঙ্গলিপি সিংভূম জেলার জায়দা ও বাঁকুড়া জেলার চিয়াদাতেও রয়েছে। খোঁজ নিলে আরও অনেক জায়গায় পাওয়া যাৰে। কারো কারো ধারণা, দেবনাগরীই সংস্কৃতের লিপি। তাদের এ ধারণা একেবারেই ভুল। সংস্কৃত ভাষার নিজস্ব কোন লিপি নেই। শ্রীহর্ষ লিপি দেবনাগরীর চেয়েও প্রাচীন ও শ্রীহর্ষ লিপি দ্রুত লিখনে অত্যন্ত উপযোগী (হাত না তুলে অনেকক্ষণ লেখা যায়)।

বাংলা বর্ণমালা



This website uses cookies.

We use cookies to analyze website traffic and optimize your website experience. By accepting our use of cookies, your data will be aggregated with all other user data.

Accept