আমরা বাঙালী
  • প্রারম্ভিক
  • আমরা বাঙালী সম্পর্কে
    • কি ও কেন
    • আবির্ভাব
    • পরিচিতি
    • দাবী
    • শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার
  • প্রাউট
    • প্রাউট কি
    • প্রাউট কেন
    • পঞ্চমূল সিদ্ধান্ত
    • বৈশিষ্ট
    • অভিমত
  • শোষিত ও বঞ্চিত বাঙলা
    • ঝাড়খণ্ড
    • গোর্খাল্যান্ড
    • অসম
    • ত্রিপুরা
    • মেঘালয়
    • পশ্চিমবঙ্গ
    • উড়িষ্যা
  • বাঙলা
    • বাঙালী জাতির বয়স
    • বাঙলার পরিচিতি
    • বাঙলার ভূ - খণ্ডের ইতিকথা
    • বাঙলার সভ্যতার উন্মেষ
  • বাংলা ভাষা
    • বাংলা লিপি
    • বাংলা উচ্চারণ
    • বাংলা ভাষার প্রতি বঞ্চনা
    • ভাষা আন্দোলন
আমরা বাঙালী
  • প্রারম্ভিক
  • আমরা বাঙালী সম্পর্কে
    • কি ও কেন
    • আবির্ভাব
    • পরিচিতি
    • দাবী
    • শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার
  • প্রাউট
    • প্রাউট কি
    • প্রাউট কেন
    • পঞ্চমূল সিদ্ধান্ত
    • বৈশিষ্ট
    • অভিমত
  • শোষিত ও বঞ্চিত বাঙলা
    • ঝাড়খণ্ড
    • গোর্খাল্যান্ড
    • অসম
    • ত্রিপুরা
    • মেঘালয়
    • পশ্চিমবঙ্গ
    • উড়িষ্যা
  • বাঙলা
    • বাঙালী জাতির বয়স
    • বাঙলার পরিচিতি
    • বাঙলার ভূ - খণ্ডের ইতিকথা
    • বাঙলার সভ্যতার উন্মেষ
  • বাংলা ভাষা
    • বাংলা লিপি
    • বাংলা উচ্চারণ
    • বাংলা ভাষার প্রতি বঞ্চনা
    • ভাষা আন্দোলন

ঝাড়খণ্ড

  

        পূর্বতন বিহারের দক্ষিণাঞ্চাল ও বাঙলার নিজস্ব অঞ্চল রাঢ়ের পশ্চিম অংশ নিয়ে গত ২০০০ সালের ১লা নভেম্বর তৈরী হয় ঝাড়খন্ড রাজ্য। এর আয়তন আনুমানিক ৭১,৭১৪ বর্গ কিলোমিটার। জেলা ১৮ টি । ঝাড়খণ্ডের ভাষা বাংলা। ঝাড়খণ্ডের প্রায় ৭৬ শতাংশের উর্দ্ধে লোকের মাতৃভাষা বাংলা। সুতরাং রাজভাষা হবার যোগ্যতা একমাত্র বাংলারই আছে। কিন্তু স্থানীয় পুঁজিপতি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগসাজস করে ও একপ্রকার চক্রান্ত করেই বাংলাকে সরিয়ে স্থানীয় সরকারী কাজকর্মের জন্য হিন্দী ভাষাকেই কাজে লাগান হয়েছে। এমনকি সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালীরা মাতৃভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রেও হচ্ছে বঞ্চিত। কিন্তু এক সময় এখানে বাংলাই ছিল পঠন-পাঠনের ভাষা, রাজ্য শাসনের ভাষা, আদালতের স্বীকৃত ভাষা।
 

       বর্তমান ঝাড়খন্ড ভারতের সম্পদশালী অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি। বিপুল পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর গত তিনশ বছর ধরে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির লোলুপ দৃষ্টি। বিপুল পরিমাণে চাষযোগ্য জমি সেচের অভাবে বছরের পর বছর কৃষিহীন হয়ে পড়ে থাকে। নদীর সংখ্যা বিরল নয় কিন্তু অঞ্চলের মানুষ অন্ন-জলহীন, খরা-দারিদ্র এই অঞ্চলের মানুষের নিত্য সঙ্গী।


      ঝাড়খণ্ডের ১৮ টি জেলার মধ্যে ১১টি জেলা পশ্চিম রাঢ়ের অন্তর্ভুক্ত। এগুলি হ'ল হাজারিবাগ, গিরিডি, দেওঘর, গোড্ডা, সাহেবগঞ্জ, ধানবাদ, পাকুড়, দুমকা, বোকারো, পূর্ব সিংভূম ও পশ্চিম সিংভূম (যা বর্তমানে সরাইকেল্লা ও খরশোয়ান)। সুপ্রাচীনকাল থেকেই এলাকাগুলি বাংলার নিজস্ব। কোন যুক্তি প্রমাণের দ্বারাই এগুলিকে বাংলা থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায় না। রাঢ়ে সুপ্রাচীন কাল থেকে যে সব ভুম-আন্তিক রাজ্য ছিল সেগুলি সবই বাঙলার অন্তরভুক্ত। যার নাম ছিল বীরভূম, গোপভূম, সিংভূম, ব্যাঘ্রভূম, ধলভূম, বরাহভূম, ভঞ্জভূম, মানভূম ইত্যাদি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, সাঁওতাল পরগণার গোড্ডা, দেওঘর, দুমকা, ও বীরভূমের সিউড়ি মহকুমা নিয়ে ছিল সামন্তভূম। সমগ্র ধানবাদ জেলার চাষ, চন্দন কেয়ারী, বোকারো, জেরেডি, পেটারবর, কাসমার, গোলা, রামগড় নিয়ে ছিল মানভূম।


     স্বাধীনতা লাভের পর কংগ্রেসের আমলে তদানীন্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ রাজেন্দ্রপ্রসাদ, প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু, জগজীবন রাম ইত্যেদি মন্ত্রীগণ মানভূমের বাংলাভাষীদের বঞ্চনার কথায় কর্ণপাত করেননি। নিখিল ভারত কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটি থেকে পশ্চিমবঙ্গের ডঃ প্রফুল্ল ঘোষ, সুচিতা কৃপালনী, বিহারের কৃষ্ণবল্লভ, বিহারের কংগ্রেস সভাপতি প্রজাপতি মিশ্র মানভূম তথা পুরুলিয়ায় তদন্ত করতে এসেছিলেন। তাঁরা পুরুলিয়ার গ্রামে গ্রামে ঘুরে দেখেছিলেন, কিন্তু বিখ্যাত গান্ধীবাদী নেতা ডঃ প্রাফুল্ল ঘোষ কমিটির কোন তদন্তের রিপোর্ট দিলেন না। রাজনৈতিক ইতিহাসের পাতায় এর কারণ অকথিতই রয়ে গেল।


       বর্তমান ঝারখন্ডের বাঙালীদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, সম্পদ, ভাষা, সংস্কৃত ও সর্বোপরি বাসভূমিকে পুনরায় তার স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত করতেই এক নোতুন আত্মপ্রত্যয় ও সংকল্প নিয়ে আবির্ভুত হয়েছে ‘আমরা বাঙালী’। সকল প্রকার সংকীর্ণতা, হীনম্মন্যতা, হিংসা, দলাদলি ভুলে গিয়ে মানবিক মূল্যবোধকে অগ্রাধিকার দিয়ে ঐক্যবদ্ধের আহ্বান জানাচ্ছে ‘আমরা বাঙালী’। সেই আহ্বানেই সাড়া দিয়ে নবচেতনার রক্তিম ঊষা আবার দেখা দিয়েছে ঝারখন্ডের মাটিতে। 

ঝাড়খণ্ডে 'আমরা বাঙালী'-র কর্মসূচী



    This website uses cookies.

    We use cookies to analyze website traffic and optimize your website experience. By accepting our use of cookies, your data will be aggregated with all other user data.

    Accept